আমাদের আগামী বাংলাদেশ . . .

/home/wpcom/public_html/wp-content/blogs.dir/dee/259751/files/2014/12/img_2065.jpg

চারটা ৩১ মিনিট উপস্থিত হাজার হাজার মানুষ এক সঙ্গে গেয়ে উঠল জাতীয় সংগীত । তারপর মুহুমুর্হু স্লোগান, ‘জয় বাংলা’ । সোহরাওয়াদীর্ উদ্যানের এ প্রান্ত যেন কেঁপে উঠল আর একবার ! শুরু হল শপথ বজ্রমুষ্টি সবার হাত । আগামী দেশ গড়ার । আমি ততোক্ষণে এই শিশুদের পাশে চলে এসেছি । আকাশের দিকে হাত তুলে ছোট ছোট শিশুরা দিয়ে যাচ্ছে স্লোগান- ওদের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে -আমাদের স্বাধীনতা স্তম্ভ । ওরা আমাদের আগামী বাংলাদেশ । আমি মনে মনে আর একবার গেলে উঠলাম

‘আমার সোনার বাংলা
আমি তোমার ভালোবসি . . . ”

সোহরাওয়াদী উদ্যান, ঢাকা
১৬ ডিসেম্বর ২০১৪

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

পাঠশালার বিড়াল কাহিনী . . .

IMG_2027.JPG

রায়ের বাজার বধ্য ভুমি স্মৃতি সৌধ থেকে আ্যসাইনমেন্ট শেষ করে পাঠশালায় এলাম। আবির ভাই এর সাথে একটা কাজ ছিল । সেখানে দেখা হয়ে গেল পাঠশালার বিড়াল পরিবারের সাথে ! টিচারস রুমে ছোট ছোট বিড়াল ছানা গুলো খেলা করছে । এ সব দেখতে দেখতে বিড়াল পে্রমী তপু প্রবেশ করল ।

বিড়াল ছানা গুলো তপুর শব্দ শুনে মিউ মিউ করে ডাকতে লাগল । তপু আমাকে বল্লো, মনির ভাই বিড়াল গুলো আমাকে চেনে । ওদের এখন দুপুরের খাবার সময় হয়েছে । আমি দেখলাম তপুর হাতে এক প্যাকেট তরল দুধ । সে দুটি প্লেটে দুধ ডেলে দেবার সাথে সাথে মিউ মিউ করে চারটি বিড়াল ছানা দুধ খেতে শুরু করল । তার একটু পর মা বিড়ালটা এসে তাদের সাথে যোগ দিল । তারপর পুরো বিড়াল পরিবার তাদের দুপুরের খাবার শেষ করল । তপু সহ পাঠশালার অনেকেই এই বিড়াল গুলোকে খুব আদর এবং ভালোবাসে । পাঠশালার বিড়াল পরিবার সুখে থাক . . .

পান্থপখ, ঢাকা
১৪ ডিসেম্বর ২০১৪

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

সব বন্ধুরা যেন পাখিদেরকে খাবার দেয় . . .

IMG_2007.JPG

শীতের সকাল- আমরা ছাদে উঠছি । মেঘের হাতে মুড়ির পেয়ালা আর আমার হাতে চায়ের কাপ। সকালের রোদে একটু সময় কাটাব। আজ আমার ছুটির দিন । জরুরি কাজ না থাকলে মেঘকে খানিকটা সময় দেই । ওর সাথে নানা খেলাধূলা করি।

মুড়ির পেয়ালাটা নেয়া হয়েছে পাখিদের খাবার দিতে । পাশের বাসায় মেঘের এক কাক-দাদু আছেন। সে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে কাকদের খাবার দেন। কখনোও কখনোও মেঘ জানালার পাশে দাড়িয়ে তা দেখে। তার সাথে কথা বলে। কাক দাদু মেঘকে খুব আদর করেন।

মেঘের ফুপি প্রকৃতি ভালোবাসে। নিয়মিত গাছ-পালা আর পাখিদের যত্ন করে । আমাদের ছাদটিকে ছোটখাটো একটা বাগান বলা যেতে পারে। মেঘ তার কাছে থেকে শিখছে-কি ভাবে প্রকৃতিকে ভালোবাসতে হয়। সে এখন এই বাগানের অনেক ফুলের নাম বলতে পারে।

বাবা, ‘আমি না গাছের ওখানে পাখিদের খাবার দিয়েছি, সব পাখিরাতো মনে করে, এই বাসায় খাবার দেয় । এই বাসায় প্রতিদিন করে যেতে হবে’। ‘পাখিরা উড়তে উড়তে ক্লান্ত হয়ে যায় – তাই ওদের খাবার দিতে হয় । রোদে গরম লাগে,পানি পিপাসা লাগে- তাই ওদের পানি দিতে হয় । ‘ আমি বলি তোমাকে কে বলেছে? মেঘ বলে ফুপি বলেছে।

বাবা, তুমি সব বন্ধুদের বলে দাও-সবাই যেন পাখিদেরকে খাবার দেয় . . .

পুরান ঢাকা, পাতলা খান লেন
১২ ডিসেম্বর, ২০১৪

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

কত দিন দেখি নাই তারে . . .

কত দিন দেখি নাই তারে . . .

দূর দিগন্ত রেখা স্থির হয়ে আছে—ধূসরেরা আজ অন্ধকারে;
যত দূর চোখ যায়— শুধু হলুদ সরিষার মাঠ—সেই মাঠে একদিন;

তার বুকের উপর দিয়ে উড়ে গেল— মাছরাঙ্গাটি;
আমি হাটছি ; সেই এক দিন—আঁকাবাঁকা পথ;
হঠাৎ তাঁর স্বরে ডেকে উঠল— ডাঙ্গার সেই শাদা বক ;

হিজল গাছটি ঠায় দাঁড়িয়ে; একা একা—তা প্রায় দুই শত বছর ;
এখন সে বৃদ্ধ— তার বুকের মধ্য নীল অন্ধকার;
সেই মাঠে একদিন;

হাজার পথ পেড়িয়ে এসেছি—সে আমার কৈশর;
কত দিন দেখি নাই তারে ।

সৃষ্টিকাল
হিজুলিয়া, মানিকগঞ্জ
৩,ডিসেম্বর ২০১৪
মনিরুল আলম